1. raselahamed29@gmail.com : admin :
  2. muktirbarta85@gmail.com : muktirbarta :
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
এই মুহুর্তে :

শহিদুলের পরিবারের কাছে জিম্মি কুষ্টিয়া আলামপুর বাজার পাড়ার বাসিন্দারা

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৬২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কে এম শাহীন রেজা কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর হলদার পাড়ার শহিদুল ও তার স্ত্রী তানিয়ার মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে জিম্মি হয়ে পড়েছে আলামপুর বাসী। অন্যদিকে একটি রাজনৈতিক মহল এর ফায়দা লুটতে আলামপুর ইউনিয়নকে দ্বিধা বিভক্ত করার লক্ষ্যে তাদেরকে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক অভিযোগ আনায়ন করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একাধিকবার জিডি করেছে বলে তুলে ধরেন আলামপুর বাসী। সর্বশেষ ২০/০৯/২০২০ তারিখে রাশিদুল এর নামে জিডি করেন তানিয়া নামের উক্ত মহিলাটি। উক্ত জিডি বা অভিযোগের বিষয় গুলোর কোন সত্যতার প্রমাণ না পাওয়ায় অবশেষে নিজ ঘরে বসে গত ২১শে অক্টোবর এলাকার টিটু মাস্টার ও রেজাউলের ইন্ধনে রাশিদুল, সোহেল ও কুটি মনির বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য আনয়ন করে সংবাদ সম্মেলন করে স্থানীয় একটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে শহিদুলের স্ত্রী তানিয়া।
বিষয়টির সত্যতা জানতে উক্ত এলাকায় সরেজমিনে গেলে বেরিয়ে আসতে থাকে থলের বিড়াল। স্থানীয় একটি স্কুলের টিটু মাস্টার প্রায় শতাধিক ব্যক্তির সম্মুখে প্রতিবেদককে বলেন, উক্ত মহিলার বিষয়টির সমাধানের লক্ষ্যে আলামপুর গ্রামের ৩ অঞ্চলের প্রায় পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি গত ২০/১০/২০২০ তারিখে আলামপুর বাজারের উপর একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিটিংয়ে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব সোহরাব মাস্টারের সভাপতিত্বে বক্তব্য প্রদান করেন, শহিদুল মেম্বার, মফিজ মেম্বার, টিটু মাস্টার, উম্মাদ আলী, জুলফিকার, সমীর সাহা, সাদেক আলী, লিয়াকত মন্ডল, মহিলা মেম্বারসহ আরো অনেকে। তিনি আরো বলেন, উক্ত মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় যে তাদের মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড রুখতে ও সুষ্ঠু বিচারের আশায় ওই পরিবারের বিরুদ্ধে আমরা কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বস্থানে গণস্বাক্ষর কৃত একটি আবেদন জমা দিব। ইতিমধ্যে গণস্বাক্ষরের কাজটি হয়ে গেছে তাতে প্রায় পাঁচশত ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন বলে তিনি জানান।
তানিয়ার পরিবার এই মিটিং এর সিদ্ধান্ত শুনে তড়িঘড়ি করে তার পরদিন ২১/১০/২০২০ তারিখে নিজেদেরকে রক্ষা করতে নিজের ঘরের মধ্যে একটি পত্রিকার দুজন সাংবাদিক ডেকে এনে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন যা হাস্যকর হিসাবে পরিণত হয়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে।
টিটু মাস্টার আরো বলেন, আলামপুর হলদার পাড়ার বাসিন্দা তানিয়া বেগমের বাড়িতে মাদকের ব্যবসাসহ অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাদের এই কুকর্মকে বাধা দিতে গেলে গত বেশ কয়েক মাস আগে তার নিজ বাড়িতে তার পোষ্য গুন্ডাবাহিনী উক্ত এলাকার মতলেবের ছেলে সাদেক, সাদ আলীর ছেলে আসলাম, ফয়জুলের ছেলে জলিল, দুলুর ছেলে মজিবরকে দিয়ে ডাকাতির নাটক সাজিয়েছিল। ঐ নাটকীয় ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উক্ত গ্রামের কুটি মনি, শহিদুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, কওসের ও রেজাউলের নাম প্রকাশ করে বেশ কয়েকটি পত্র পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশিত হলেও পরবর্তীতে তদন্তে তার কোন প্রমাণ পাননি কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ বাহিনী।
তিনি আরো বলেন, বেশ কয়েকবার মাদকদ্রব্য বেচাকেনার তথ্য পেয়ে তানিয়ার বাড়িতে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ বাহিনী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও র্যাব ১২ সদস্যরা তল্লাশি করে গেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাড়া-প্রতিবেশীরা বলেন, রবিউলের বাড়িতে নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড চলে এবং প্রতিনিয়ত একাধিক মহিলাদের আগমন দেখা যায়, সেইসাথে আলমপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মতলেবের পুত্র সাদেক, সেক্রেটারি মজিবর, সাদ আলীর ছেলে আসলাম, ফজলুর ছেলে জলিল, দুধ মল্লিকের ছেলে কামালসহ বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজনের আগমন দেখতে পাই। যে কারণে পুলিশ তার বাড়ি তল্লাশি চালিয়েছে। পাড়া-প্রতিবেশী এটাও বলেন শহিদুল ও তার স্ত্রী তানিয়া মাঝে মধ্যে বাইরে এসে বলে আমাদের হাত অনেক লম্বা কেউ আমাদের কিছু করতে পারবে না। তারাএটাও বলেন টাকা থাকলে কাঠের পুতুল ও হা করে। দুদিন আগে যাদের কিছু ছিল না হঠাৎ করে শহিদুল এত টাকা পেল কোথায়? এটা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে।
তবে ইতিপূর্বে শহিদুল ইসলামের স্ত্রীর বক্তব্য নেওয়ার সময় তিনি একপর্যায়ে প্রতিবেদক কে বলেছিলেন, এই বিষয় নিয়ে আর লেখালেখি করার দরকার নাই, ভাই যা হবার তা হয়ে গেছে। এলাকার সুশীল সমাজ এবং মসজিদের একজন ইমাম পর্যন্ত প্রতিবেদককে বলেন, শহিদুলের অনৈতিক ব্যবসা ও ইয়াবা ব্যবসার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এ সকল আশপাশের বাসিন্দারা। যে কারণে তাদেরকে শায়েস্তা করার জন্য তারা বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিউজ প্রকাশ করে যাচ্ছে আমি এর বিচার দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে ভুক্তভোগী টিটু মাস্টার, রেজাউল, রাশিদুল, সোহেল ও কুটি মনির সাথে কথা বললে তারা বলেন, একটি কুচক্রী মহল তানিয়ার পরিবারকে ব্যবহার করে আমাদেরকে সামাজিকভাবে ঘায়েল করার জন্য আমাদের নাম পত্রিকায় প্রকাশ করেছে। আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই সেই সাথে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ন্যায্য বিচার করা হোক। এ বিষয়ে এসআই মাহমুদের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন তানিয়া রাশিদুল এর নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি জিডি করেছিল। জিডির আলোকে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মীমাংসার জন্য বসা হয়েছিল সেখানে উপস্থিত ছিল আলামপুর ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, শহিদুল মেম্বার , মফিজ মেম্বার সহ আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
© All rights reserved © 2020 dailymuktirbarta.com

Design & Developed By : Anamul Rasel

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.