ব্রেকিং নিউজ
কুষ্টিয়া কালী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী কালু কুষ্টিয়া পৌরসভা নির্বাচনে টানা ২য় বারের মত কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন শাহাজালাল । বন্ধুত্বের নামে অহরহ যৌনতা হয়, এ দ্বায় রাষ্ট্রের নয় চায়ের কাপ দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিলো পৌর নির্বাচনে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীর কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও এ্যালকোহর যুক্ত মদ সহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার কুষ্টিয়ার তরুনীর রংপুর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সিরাজগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ডের বিজয়ী কাউন্সিলর প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় খুন ! কুষ্টিয়ার ৪টি পৌর নির্বাচনে ৩টি নৌকা ১টিতে মশাল বিজয়ী কুষ্টিয়ায় ড্রিম হাউস ডিজাইন সরকারি সকল নিয়ম কানুন মেনেই ব্যবসা করছে জানালেন পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান টোটন।।। নওগাঁয় বিপুল পরিমান নেশার ইনজেকশান সহ আটক -৩
শিরোনাম :
কুষ্টিয়া কালী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী কালু কুষ্টিয়া পৌরসভা নির্বাচনে টানা ২য় বারের মত কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন শাহাজালাল । বন্ধুত্বের নামে অহরহ যৌনতা হয়, এ দ্বায় রাষ্ট্রের নয় চায়ের কাপ দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিলো পৌর নির্বাচনে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীর কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও এ্যালকোহর যুক্ত মদ সহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার কুষ্টিয়ার তরুনীর রংপুর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সিরাজগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ডের বিজয়ী কাউন্সিলর প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় খুন ! কুষ্টিয়ার ৪টি পৌর নির্বাচনে ৩টি নৌকা ১টিতে মশাল বিজয়ী কুষ্টিয়ায় ড্রিম হাউস ডিজাইন সরকারি সকল নিয়ম কানুন মেনেই ব্যবসা করছে জানালেন পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান টোটন।।। নওগাঁয় বিপুল পরিমান নেশার ইনজেকশান সহ আটক -৩
Archive

কুষ্টিয়া কালী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী কালু

দবিরউদ্দিন মোল্লা ও রেলগেটের নামকরণের ইতিহাস

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ১২৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : কুষ্টিয়ায় একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক, পরোপকারী, গরিবের বন্ধু, দবির উদ্দিন মোল্লা কুষ্টিয়া শহরের দবির উদ্দিন মোল্লা রেলগেট ছেঁউড়িয়া মোল্লা পাড়া গ্রামের অধিবাসী ছিলেন। উক্ত গ্রামের তার দুটি বসতভিটা এখনও অবস্থিত সেখানে তার সন্তানরা বর্তমানে বসবাস করে।

দবির মোল্লা ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন বুজর্গ ধার্মিক, ন্যায়পরায়ন, সরল ও অমায়িক ব্যক্তিত্বের অধিকারী অত্যন্ত জ্ঞান পিপাসু নিবেদিত একজন ব্যক্তিত্ব।

জীবনে তিনি মক্তব মাদ্রাসা ও স্কুল প্রতিষ্ঠা কল্পে গ্রামের জনসাধারণকে উৎসাহিত করেন। সেই যুগেও তিনি নারী শিক্ষায় অগ্রণী ছিলেন। তার ছেলেরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত এবং চাকুরী ক্ষেত্রে উচ্চতর আসনের অধিষ্ঠিত।

তিনি জন্মেছিলেন কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানাধীন ছেঁউড়িয়া মোল্লাপাড়া গ্রামে এক বনেদী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। এনায়েত মোল্লা ও গলেজান বেগম দম্পতির ঘরে আনুমানিক ধারণা করা হচ্ছে ১৮৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২৪শে এপ্রিল ১৯৭৩ খ্রীষ্টাব্দে মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল অনুমানিক ৯০ বছর।

যার নামানুসারে “দবির মোল্লার রেলগেট” নামকরণ হয়েছে। তার প্রচেষ্টায় রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ছাড়াও গড়ে উঠে দাতব্য চিকিৎসালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান। তার জন্ম তারিখ বা সালের কোন উল্লেখযোগ্য সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি, তার পিতার নাম ছিল এনায়েত মোল্লা এবং মায়ের নাম ছিল গলেজান।

দবির উদ্দিন মোল্লা একে একে চারটা বিয়ে সম্পন্ন করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পরে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রী মারা যাওয়ার পরে তৃতীয় ও চতুর্থ বিয়ে করেন। এভাবে একে একে চার চারটা বিয়ে করেছিলেন তিনি। প্রথম স্ত্রী ও দ্বিতীয় স্ত্রী নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর কোন সন্তানাদি ছিল না। দবির মোল্লার তৃতীয় স্ত্রীর নাম ছিল, খোদেজান নেছা ও ছোট স্ত্রী হাওয়া বেগম। তাদের ছিল ১১টি ছেলে ও ৩টি মেয়ে। তার দুটি পরিবার হাওয়াই তার বাড়িও ছিল দুইটা তৃতীয় পক্ষের ৪টা ছেলে ও ৩টা মেয়ে, ছোট পক্ষের ৭টা ছেলে।

দবির মোল্লার ছেলে বিশিষ্ট সমাজসেবক আলতাফ হোসেন মোল্লা বলেন, আমার বাবা দবির মোল্লা ছিলেন একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ীক। আবার অনেকেই মনে করেন তিনি গেট ম্যান ছিলেন সেই কারণেই তার নামে নামকরণ হয়েছে “দবির মোল্লার গেট” আসলে কথাটা ঠিক নয়। তিনি একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ীক ছিলেন। রেলগেটের পাশে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল। এখানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছে। কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আশা মানুষগুলো যেমন, সাঁওতা, মিরপুর, পান্টি, বাঁশগ্রাম, মোহন নগর, চাঁদপুর, যদুবয়রা, ভাঁড়রা, শৈলকুপা, গাড়াগঞ্জ, ঝিনাইদা, কুমারখালী, খোকসা, মাছপাড়া, পাংশা, উক্ত এলাকা থেকে সাধারণ জনগণ কুষ্টিয়া শহরে আসতো। সেই সময় যাতায়াতের ব্যবস্থা খুব একটা উন্নত ছিল না। এমনও নজির আছে কুষ্টিয়া শহরে ঢুকলে ওই দিন রাত থেকে পরের দিনে আবার তাদের বাড়ি যেতে হতো।

তিনি আরো বলেন, আমার বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশে একটা খানকা ঘর অর্থাৎ কাচারী ঘর করেছিলেন তিনি। সেই ঘরে শহরে আসা অনেকেই এসে রাত্রি যাপন করে পরদিন সকালে বাড়িতে রওনা দিতেন।

তার আর এক ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীক আবু হাসান মোল্লা বলেন, আমার বাবা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আলাদা করে সব সময় শুকনো কিছু খাবার রাখত যেমন মুড়ি, চিড়া, গুড় ও মাটির কলসের ঠান্ডা পানি এগুলো রেখে দিতেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষগুলো কুষ্টিয়া ঘুরে যারা বাড়িতে যেতেন তারা তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাশেই খানকা ঘরে অর্থাৎ কাছারি ঘরে বসে শরীর ঠাণ্ডা করে শুকনা খাবার গ্রহণ করে তার পর যেতেন এটা ছিল তার সবচেয়ে বড় গুণ মানুষ ধর্ম ছিল তার কাছে বড় ধর্ম।

তিনি আরো বলেন, সেই সময় অত্র এলাকায় কোন টিউবওয়েল ছিলনা। আমার বাবার একটা কুয়া ছিল সেই কুয়ার পানি সবাই খেত। এবং কুয়ার পাশেই নারিকেল গাছ ছিল। সে কখনো ডাব গাছ থেকে নারিকেল বানায় নাই। অর্থাৎ নারিকেল গাছের ডাব সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রেল কোম্পানীর বিভিন্ন কর্মকর্তারাও এসে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সময় দিত এবং তার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করত। তিনি মারা যাওয়ার পরে এই রেলগেটের নামকরণ করা হয়েছিল তার’ই নামে “দবির মোল্লার রেলগেট”।

রাজবাড়ী টু কুষ্টিয়া আঞ্চলিক রোডের পাশেই ছেঁউড়িয়া দবির মোল্লা রেলগেট। এই রেলগেট দিয়েই যেতে হয়। বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের মাজারে।

কুষ্টিয়া জেলার আপামর জনসাধারণ তাঁকে চিরদিন গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
© All rights reserved © 2020 dailymuktirbarta.com
Design & Developed By NewsSky.Com