1. raselahamed29@gmail.com : admin :
  2. muktirbarta85@gmail.com : muktirbarta :
মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
এই মুহুর্তে :
কুষ্টিয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ মালিহাদ ইউনিয়নবাসী মনে করেন, জননন্দিত ও সফল চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন নৌকার একজন দক্ষ মাঝি কুষ্টিয়া জেলা আনসার ভিডিপি র২১ দিন ব্যাপি মৌলক প্রশিক্ষনের উদবোধন। কুষ্টিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা!! কুষ্টিয়া মিরপুরে সম্পত্তির জন্য বোনকে হত্যা করে লাশ নদীতে নিক্ষেপ। এনআইডি জালিয়াতির: উপ-সচিবসহ ৫ জন নির্বাচনি কর্মকর্তার নামে মামলা চৌড়হাস হাইওয়ে পুলিশের আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আনন্দ উদযাপন অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ই মার্চ উদযাপিত কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের সংবাদ সম্মেলন সোনাপুর আলী আকবর উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব

চোখের জলে কুষ্টিয়া থেকে এক কর্মবীরের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৪৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

 

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন গতকাল নতুন জেলা প্রশাসক মোঃ সাইদুল ইসলামকে দায়িত্বভার অর্পন করে কুষ্টিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। গতকাল সকাল ১০টায় তিনি নব-নিযুক্ত জেলা প্রশাসকের নিকট দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেন। এর আগে থেকেই ডিসি বাংলো এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মকর্তা কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী, রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ অশ্র“সিক্ত নয়নে জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেনকে এবং তাঁর সহধর্মীনি মোসাঃ জাকিয়া সুলতানাকে বিদায় জানান। উল্লেখ্য তিনি এই জেলায় যোগদানের পর থেকে একের পর এক ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, অপরদিকে মানবিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের কাজ করেছেন সমানভাবে। জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি হিসাবে সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ায় আধুনিক শিল্পকলা ভবন নির্মানের পেছনে তাঁর রয়েছে অক্লান্ত পরিশ্রম। কুষ্টিয়া একটি প্রাচীন জেলা হওয়া সত্ত্বেও এই জেলার সার্কিট হাউজ ছিলো পুরাতন অবকাঠামোতে। ১০তলা বিশিষ্ট আধুনিক সার্কিট হাউজ নির্মানেও তাঁর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহব্বুউল আলম হানিফ এমপির প্রচেষ্টায় ও দিক নির্দেশনায় কুষ্টিয়া শহর উন্নয়নের নগরীতে পরিণত হয়েছে। লালন একাডেমির সভাপতি হিসাবে জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন একাডেমি সংলগ্ন নির্মান করেছেন বাউল সম্রাটের ম্যুরাল। লালনের সমাধী সৌধের সামনে নির্মান করেছেন একতারা ভাস্কর্য। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে ব্যাপক উন্নয়ন, কয়ায় গড়াই নদীর পাড়ে নির্মান করেছেন ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী বীর বাঘা যতীনের নাম করনে বাঘাযতীন পার্ক। যেখানে নতুন প্রজন্মের শিশু কিশোরেরা জেনে নেবে এই বীরের বীরত্ত্বগাঁথা দেশপ্রেমের কথা। একই ভাবে নোংরা আবর্জনার স্তুপ থেকে কালেক্টরেট চত্বরে নির্মান করেছেন ডিসি পার্ক। সন্ধ্যার পরে যেখানে শিয়ালের ডাক শোনা যেতো সেই কালেক্টরেট চত্বরের পুকুর পাড়ে এখন শিশুদের কোলাহলে ভরপুর। স্বাধীনতার সূর্যোদয়ের জেলা কুষ্টিয়ায় ঐতিহাসিক কালেক্টরেট চত্বরে যেখানে ১১ই ডিসেম্বর প্রথম বিজয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিলো সেই পূণ্যভূমিতে নির্মান করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য। বিশাল প্রান্তর জুড়ে আধুনিক মঞ্চসহ প্রতিষ্ঠা করেছেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক মঞ্চ। ডিসি কোর্ট জামে মসজিদের আধুনিকায়ন, শ্বেত পাথরের প্রধান ফটক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও বাসভবনেও রয়েছে ব্যাপক উন্নয়নের স্মারক। কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের বিশাল খেলার মাঠ এবং নতুন নতুন ভবন নির্মান করে আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন সুযোগ্য অধ্যক্ষ জেলা প্রশাসকের সহধর্মীনি মোসাঃ জাকিয়া সুলতানা। লেডিস ক্লাবের মাধ্যমে এতিম, অনাথ এবং বৃদ্ধাশ্রমের অবহেলিত মায়েদের মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। দৌলতপুরের চিলমারির দুর্গম এলাকার শিক্ষার আলো ছড়ানোর লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন সেখানেও গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন একটি আধুনিক মহাবিদ্যালয়। যেটি তাঁর অপূর্ণ রয়ে গেলো। প্রায় এক যুগের জেলার সকল বালি মহাল অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করে টেন্ডারের মাধ্যমে মাত্র ৩ মাসের জন্য ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এই টেন্ডার আহ্বানের আগে দীর্ঘ আইনী লড়াই সম্পন্ন করতে গিয়ে তিনি অনেকের বিরাগভাজন হয়েছেন। আবার অনেকের কাছে হয়েছেন নন্দিত। রাষ্ট্রের সম্পদ উদ্ধার করে দেশপ্রেমের নজির রেখেছেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন কুষ্টিয়ার মুক্তিযোদ্ধাদের কমপ্লেক্স নির্মানে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। করোনাকালীন দুর্যোগে তিনি নিরন্ন মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। করোনা রুগীদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী, ফলের ঝুড়ি, ঔষুধপথ্য নিজ হাতে পৌঁছে দিতে গিয়ে তিনি নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপরেও বসে থাকেননি। আর্থ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং মানবিক উন্নয়নের একের পর এক স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছেন কুষ্টিয়ায়। এই কর্মবীরের বিদায় বেলায় কুষ্টিয়ার ২২ লক্ষ মানুষ তাঁরপ্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রদান করছে। শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, প্রকৌশলী, আইনজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মালিকেরা সকলেই তাঁর কাছে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
© All rights reserved © 2020 dailymuktirbarta.com

Design & Developed By : Anamul Rasel

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.